বৃহস্পতিবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। নিহত ৩৪ বছর বয়সী হাফিজুল ছালাকান্দা গ্রামের এমদাদুল হক চৌধুরীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এমদাদুল হক চৌধুরীর লোকজনের সঙ্গে প্রতিবেশী সাবেক ইউপি সদস্য ফারুক মিয়ার বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আগেও একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের পাঁচটি মামলা চলমান। বৃহস্পতিবার দুপুরে বাড়ির সামনে হাফিজুলকে একা পেয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করেন ফারুক মিয়ার লোকজন। এ সময় হাফিজুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
নিহতের চাচা তৌহিদ চৌধুরী বলেন, কয়েকদিন আগে এলএলবি সম্পন্ন করেছেন হাফিজুল। সনদ পেতে দেরি হওয়ায় বাড়িতে চলে আসেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ফারুক মিয়ার বাড়ির সামনে যেতেই তাদের লোকজন হাফিজুলকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম বলেন, প্রতিপক্ষের আঘাতে হাফিজুল নিহত হন। মরদেহর সুরতহাল তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।