শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে ঐ নারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঐ উপজেলার বাবিয়া পাড়া এলাকার স্বামীর বাড়িতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন রুমি আক্তার।
স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালের দিকে পরিবারের সদস্যদের অগোচরে রুমি নিজ শয়ন কক্ষের আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। রুমির ননদ আসমা ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে দরজা ভেঙে তার ভাবিকে ফাঁসিতে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে বাড়ির লোকজনের সহায়তায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সোনাইমুড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
.png)
সোনাইমুড়ী থানার ওসি হারুন অর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।