পর্যটকদের আগমনে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি ফুটেছে। এছাড়া তাদের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।
প্রতি বছরই বিশেষ দিনগুলোতে কুয়াকাটায় আগমন ঘটে হাজারো পর্যটকের। তবে এ বছর ঈদের প্রথম ও দ্বিতীয় দিনে কিছুটা কম থাকলেও তৃতীয় দিনে পর্যটকের ঢল নেমেছে সৈকতে। তারা সৈকতে গা ভাসিয়ে আনন্দে মেতেছেন। অনেকে আবার সৈকতের বেঞ্চে বসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। আর প্রথমবার কুয়াকাটায় আসা পর্যটকরা ঘুরে দেখছেন বৌদ্ধ বিহার, রাখাইন মার্কেট, শুটকি পল্লী ও ইলিশ পার্কসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান।
.png)
সবমিলিয়ে সৈকতে এখন বিরাজ করছে ঈদের আমেজ। ফাঁকা নেই হোটেল-মোটেল কক্ষ। পদ্মাসেতু চালু হওয়ার ফলে আগের তুলনায় অনেক বেশি পর্যটকের আগমন ঘটেছে বলে জানান পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
কুয়াকাটার একটি হোটেলের পরিচালক নাসীর উদ্দিন জানান, ঈদের তৃতীয় দিনে পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। এবারের ঈদুল আজহায় বিগত বছরের তুলনায় পর্যটক সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে ভেবেই তাদের সেবা দিতে আগে থেকেই সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এতে পর্যটকদের সেবায় কোনো ত্রুটি থাকবে না।
কুয়াকাটা পৌর মেয়র আনোয়ার হাওলাদার বলেন, পর্যটকদের চাহিদা অনুযায়ী এখানে আরো উন্নত মানের খাবার হোটেল নির্মাণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের পরিদর্শক হাসনাইন পারভেজ জানান, আগত পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তার লক্ষ্যে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সাদা পোশাকে কাজ করছেন।