পর্যটনকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, পরিবার-পরিজন নিয়ে যান্ত্রিকতা ও কর্মব্যস্ততা ভুলে প্রকৃতির স্পর্শে অবকাশযাপন করতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রকৃতিপ্রেমী ভ্রমণপিপাসুরা। নেচে গেয়ে আনন্দ উপভোগ করতেও দেখা যায় অনেককে। তবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে পাশের জেলা চট্টগ্রাম ও স্থানীয়দের উপস্থিতি বেশি ছিল।
চট্টগ্রাম থেকে নীলাচলে বেড়াতে আসা সজীব দে অপু জানান, দীর্ঘদিন আগে তিনি একবার এসেছিলেন এই নীলাচলে। আজ আবার পরিবার নিয়ে এসে উপভোগ করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নয়নাভিরাম অপরূপ দৃশ্য।
.png)
ঢাকা আসা সোহান জানান, পাহাড়ের প্রতি সবসময় তার অন্যরকম এক দুর্বলতা কাজ করে। এমনকী তার জীবনসঙ্গিনীর সঙ্গেও প্রথম পরিচয় হয়েছিল এই পাহাড়ি অঞ্চলে।
তিনি বলেন, বর্ষায় পাহাড়ের সৌন্দর্য বাড়ে কয়েকগুণ। এছাড়া এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্য না দেখে ভাষায় বর্ণনা করা কখনোই সম্ভব নয়।
মেঘলা ও নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রের টিকিট কাউন্টার সূত্রে জানা যায়, অন্য বছরের তুলনায় আগত পর্যটকের সংখ্যা অনেকাংশে কম হলেও আজ বিকেল পর্যন্ত মেঘলায় ৯০০ ও নীলাচলে ১ হাজার ৮০০ পর্যটকের আগমন ঘটেছে।
বান্দরবান জিপ-মাইক্রোবাস মালিক সমিতির টিকিট কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা কামাল জানান, সোমবার ৬০টি পর্যটকবাহী গাড়ি প্রায় এক হাজার পর্যটক নিয়ে জেলার বিভিন্ন পর্যটন স্পটের উদ্দেশে ছেড়ে গেছে।
বান্দরবান টুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঈদের ছুটিতে পর্যাপ্ত পর্যটক আগমনের সম্ভাবনা উপলক্ষে সব টুরিস্ট পুলিশের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। আগত পর্যটকের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেকটি পর্যটনকেন্দ্রে পুলিশ কাজ করছে। এখনো পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।