ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে সহযোগীসহ কারাগারে এএসআই

ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:০০, ১৪ জুলাই ২০২২
৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই করে সহযোগীসহ কারাগারে এএসআই
ভাঙ্গা থানা-ফাইল ফটো

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় রাতের আঁধারে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে এক ব্যবসায়ীর ৪০ ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযাগে এক পুলিশ সদস্যসহ দুইজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকেলে ফরিদপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে সকালে পাপ্পু বিশ্বাস নামে ওই ব্যবসায়ী ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন। গ্রেফতারকৃত এএসআই বাবুল হোসেন ঢাকার ধামরাই থানার গাংগুটিয়া গ্রামের হারুন অর রশিদের ছেলে ও তার সহযোগী মৃদুল মুন্সি ভাঙ্গা পৌরসভার হোগলাডাঙ্গী সদরদীর মিজানুর রহমান মুন্সির ছেলে।

দুপুরে গ্রেফতারের পর এএসআই বাবুল স্বীকারোক্তি দেন। পরে পৌরসভার কাপুড়িয়া সদরদীর গ্রামের একটি ভাড়া বাসা থেকে ছিনতাই হওয়া চারটি স্বর্ণেরবারসহ ৪০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ। 

Advertisement

গত ৭ জুলাই রাতে ভাঙ্গা পৌরসদর বাজারের স্বর্ণকারপট্টির পলাশ বণিকের সোনারতরী জুয়েলার্স থেকে কয়েকটি স্বর্ণের বার কিনেন নড়াইলের লোহাগড়ার পাপ্পু বিশ্বাস নামে এক ব্যবসায়ী। সেখান থেকে রাত সাড়ে ১২টার দিকে একটি ভ্যানে পাপ্পু ও তার বন্ধু বিজয় লোহাগড়ার উদ্দেশে রওনা দেন। স্বর্ণপট্টি পার হতেই এএসআই বাবুল ও সহযোগী মৃদুল তাদের গতিরোধ করেন। চোরাই স্বর্ণ পাচার করছেন এমন অভিযোগে পাপ্পুকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখান এএসআই বাবুল। পরে তার পকেটে থাকা ১১টি স্বর্ণের বারের মধ্যে চারটি ছিনিয়ে নেন এএসআই। এ ঘটনায় বুধবার সকালে ওই ব্যবসায়ী ভাঙ্গা থানায় মামলা করেন।

ভাঙ্গা বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী পলাশ বলেন, ছিনতাই হওয়া স্বর্ণেরবারগুলোর ওজন প্রায় ৪০ ভরি। যার বাজার মূল্য প্রায় ২৮ লাখ ৬২ হাজার টাকা।

ভাঙ্গা থানার ওসি সেলিম রেজা জানান, এ ঘটনায় ভাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। এএসআই বাবুল ও তার সহযোগী মৃদুলকে গ্রেফতার করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এ সময় এএসআই বাবুলের বাসা থেকে ৪০ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!