নিমিষেই পুকুরের পানি উধাও, সঙ্গে মাছও
বগুড়ার কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত বাগইল পশ্চিমপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের পুকুরে ঘটেছে অলৌকিক ঘটনা। রাতেও পুকুরে ছিল গলা সমান পানি। কিন্তু পরদিন বিকেলে যা ঘটল তা দেখে সবার চোখ কপালে। হঠাৎ করেই পুকুরের পানি উধাওয়ের সঙ্গে সঙ্গে মাছও হাওয়া।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকেলে কাহালু উপজেলার পাইকড় ইউনিয়নের বাগইল পশ্চিমপাড়া গ্রামের এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বাগইলের এই পুকুরে মাছ চাষ করে আসছেন ওই গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম। ১৭ শতক আয়তনের ওই পুকুরে এবারো প্রায় ৪ মণ মাছ ছাড়া হয়েছে। পানির সঙ্গে নিমিষেই উধাও হয়ে গেছে সব মাছও। পানি শুকিয়ে যাওয়ার পর পুকুরের মাঝ বরাবর দেখা মিলেছে একটি সুড়ঙ্গের। এ নিয়ে এলাকায় হইচই পড়ে গেছে। দলে দলে লোকজন ছুটছেন পুকুরটি দেখতে।
এ বিষয়ে পুকুরের মালিক নুরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে হঠাৎ করেই পুকুরের ঠিক মাঝখানে বুদবুদ উঠতে থাকে। তিনি ভেবেছিলেন তীব্র দাবদাহের ফলে এমনটা ঘটছে। ক্রমাগত বাড়তে বাড়তে সোমবার বিকেলে হঠাৎ করেই পানি ১০ থেকে ১৫ ফুট উঁচু হয়ে লাফিয়ে উঠতে শুরু করে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে আশপাশের লোকজন।
.png)
সন্ধ্যার পর সেই অবস্থা কিছুটা কমে যায়। এরপর পুকুরের পানি পরের দিন বিকেলে হঠাৎ করেই কমতে শুরু করে। পুকুরের মাঝখানে পাক খেতে খেতে পানি নামতে শুরু করে। নিমিষেই গলা সমান পানি উধাও হয়ে যায়।
প্রায় ২০ বছর আগে ওই পুকুর থেকে বালু তুলে বাড়ি করেছিলেন নুরুল ইসলাম। তার ধারণা, এ কারণে সেখানে ধস দেখা দিয়ে এমনটি হয়েছে।
কাহালু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া সুলতানা বলেন, ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছি। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।