সোমবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলা বারবাকিয়া ইউনিয়নের পাহাড়িয়াখালী ছনখোলা এলাকার বাদামতল স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জাফর আলম ঐ এলাকার নজির আহমদের ছেলে।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা দিদারুল আলম বলেন, সোমবার জাফর আলম চকরিয়া কোর্ট থেকে মামলার হাজিরা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় ছনখোলা স্টেশনে পরিকল্পিতভাবে ওৎপেতে থাকে তার প্রতিপক্ষরা। জাফর স্টেশনে পৌঁছালে ৭-৮ জনের একটি দল লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত জাফর আলমের স্ত্রী জ্যোৎস্না আকতার বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সন্ত্রাসীরা আমার স্বামীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।
পেকুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরহাদ আলী বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নিহত জাফর আলম তার পুত্রবধূ সালমা বেগম ও নেজাম উদ্দিন হত্যা মামলার আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি ও মারামারির অভিযোগে আরো ছয়টি মামলা রয়েছে। তার ছেলে জাহাঙ্গীর আলম ও আলমগীর বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, মারামারি ও বন আইনে অন্তত ১০টি এবং আলমগীরের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা রয়েছে।