শনিবার দুপুরে র্যাব-১১ এর অধিনায়ক তানভীর মাহমুদ পাশা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানার ভবেরচর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন-মো, মনির হোসেন ও আমির হোসেন।
.png)
তিনি আরো জানান, র্যাব ১১ এর গোয়েন্দা সদস্যরা রোকসান হত্যার সব তথ্য সংগ্রহ করে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তারই ধারাবাহিকায় গোয়েন্দা নজরদারি রেখে শুক্রবার রাতে তাদের মুন্সিগঞ্জ জেলার ভবেরচর এলাকা তেকে তাদের আটক করা হয়।
আসমিদের বরাত দিয়ে তিনি আরো জানান, রোকসানা বেগমের স্বামীর সঙ্গে তার ৭ থেকে ৮ বছর আগে বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকে রোকসানা তার একমাত্র ছেলেকে নিয়ে ছোট ভাই মো. এনামুল হকের বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। তিনি জীবিকার জন্য উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নের বাইশটেকী গ্রামের দেওয়ান বাড়িতে জামদানি শাড়ি তৈরির কাজ করতেন।
সেই সুবাদে ঐ বাড়ির রাজু মিয়ার ছেলে মনির হোসেনের সঙ্গে রোকসানা বেগমের শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে রোকসানা বিয়ের ব্যাপারে মনির হোসেনকে চাপ দিলে মনির তার মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর তাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়।
গত ১৫ জুলাই মনিরের মেয়ের বিয়ে হলে, রোকসানা গত ১৮ জুলাই বিয়ের দাবিতে মনিরের বাড়িতে অবস্থান নেয়। এ সময় মনিরের বাড়ির লোকজন তাকে একাধিকবার বাড়ির বাইরে টেনে বের করে দেয়। রোকসানা তার অবস্থানে অনড় থাকায় মনির হোসেন, তার ভাই গোলজার, খোকন ওরফে খোকা, ছেলে রানা, মনিরের স্ত্রীসহ অন্যান্য আসামিরা তাকে পিটিয়ে আহত করে।
মারাত্মক অবস্থায় মনির হোসেন ও তার সহযোগীরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক রোকসানাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ জানার পর মনির ও তার সহযোগীরা হাসপাতালে লাশ রেখে পালিয়ে যায়।