রাসেল সদর উপজেলার আশুগঞ্জের তারুয়া গ্রামের মৃত অলি মোল্লার ছেলে। তিনি পৌর শহরের কলেজপাড়া এলাকায় তার বোনের ভাড়া বাসায় থেকে মুদি দোকানের ব্যবসা করছিলেন।
জানা যায়, রাসেল একমাস আগে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিল। শনিবার দুপুরে বাসায় গিয়ে আবার দোকান খোলতে দ্রুত চলে আসেন তিনি। দোকানের শাটার খোলে ভিতরে ঢুকে দোকান বন্ধ করে দেন তিনি। বিকেলে পরিবারের লোকজন দেখতে পান দোকান বন্ধ কিন্তু বাইরে তালা নেই।
.png)
পরে সন্দেহ হলে তাকে ডাকতে থাকেন পরিবারের লোকজন। কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় শাটার ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখতে পান ফাঁস লাগানো অবস্থায় নিথর দেহ পড়ে আছে। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে মরদেহ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
বোন কোহিনুর বেগম বলেন, দুপুরে ভাত না খাওয়া বিকেলে তাকে দেখতে দোকানে আসি। কিন্তু ভিতর থেকে দোকান বন্ধ দেখতে পাই। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় শাটার ভেঙে ভিতরে ঢুকে দেখি তাকে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পড়ে আছে রাসেল।
আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় কুমার সরকার বলেন,পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।