এর আগে, এ ঘটনায় ১৩ জুলাই মতিহার থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর বাবা কাইছার রহমান। মামলা দায়েরের পর অপহরণকারীরা অপহৃত স্কুলছাত্রীসহ সপরিবারে গা ঢাকা দেন। পরে ৪ আগস্ট ভুক্তভোগীর বাবা কাইসার র্যাবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ নিয়ে আসেন। ভুক্তভোগী পিতার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব মামলার তদন্ত শুরু করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- রাজশাহীর বেলপুকুর থানার সুলভনগর এলাকার বিশাল আলী, তার বাবা মো. মাসুদ রানা এবং তারা মাসুদ রানার স্ত্রী মোছা. মারুফা বেগম।
.png)
শনিবার দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় র্যাব-৫। এতে বলা হয়, রাজশাহী মহানগর মতিয়ার থানাধীন মো. কাইছার রহমানের মেয়ে মোছা. নুরে জান্নাত খাতিজা স্কুলে যাওয়ার সময় বখাটে বিশাল আলী বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন কু-প্রস্তাব দিতেন। নুরে জান্নাত প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে না আসলে তার বাবা ১৩ জুলাই নগরীর মতিহার থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়ের করার পর ঐ মামলার আসামিরা সপরিবারে গা ঢাকা দেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন মহল থেকে মামলার বাদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেয়ার হুমকি প্রদান করে। ৪ আগস্ট নুরে জান্নাতের বাবা অভিযোগ নিয়ে আসলে র্যাব-৫ তাদের গ্রেফতার করে এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে।