রোববার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাওদা উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর ইউপির তাঁরা পাশা গ্রামের খালেদ ভূইয়ার মেয়ে।
মৃতের চাচা লাল মিয়া ভূইয়া বলেন, বাড়িতে নতুন ঘর তৈরি কাজ চলছে। বিকেলে আমার মা ঘরের পিছনে হাঁটতে গেলে চার নাতনিও তার সঙ্গে যায়। সেখানে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আমার মা পঞ্চননেচ্চা, সাওদার বড় বোন সাইমা, ভাতিজি মীম, মিলিসহ সাবাইকে কামড় দেয় ভীমরুল। এ সময় তাদের চিৎকারে বাড়ির লোকজনসহ আশপাশের মানুষজন এসে তাদের উদ্ধার করে পাশ্ববর্তী হোসেনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
.png)
লাল মিয়া আরো জানান, বাড়ির পিছনে যে ভীমরুলের বাসা আছে সেটা আমরা কখনও দেখিনি। হঠাৎ করে কোথায় থেকে এল বুঝতে পারছি না দিনের বেলা খোঁজে বের করবো।
হোসেনপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক বলেন, সাওদা নামে শিশুটির অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে আমরা কিশোরগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেছিলাম। অভিভাবকরা বিষয়টি গুরুত্ব না দিয়ে আমাদের এখানে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর ফের নিয়ে এলে আমরা দ্রুত কিশোরগঞ্জ নিয়ে যেতে বলি। কিশোরগঞ্জ নেওয়ার সময় শিশুটি মারা যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন।