ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

কাগজপত্র চাওয়ায় নিজ মোটরসাইকেলে আগুন দিলেন যুবক

রাজশাহী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:০১, ৮ আগস্ট ২০২২
কাগজপত্র চাওয়ায় নিজ মোটরসাইকেলে আগুন দিলেন যুবক
আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মোটরসাইকেল

রাজশাহীতে ট্রাফিক পুলিশ মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছেন আশিক আলী নামে এক যুবক। সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুর পৌনে ২টার দিকে নগরীর কোর্ট হড়গ্রাম এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মোটরসাইকেলটির মালিক আশিক আলী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার কাঁঠালবাড়িয়া হাটুভাঙ্গার মোড় এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম আসাদ আলী।

জানা গেছে, কোর্ট হড়গ্রাম বাজারে রুটিন মাফিক নিজ দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট আব্দুল কাইয়ুম। দুপুর পৌনে ২টার দিকে দুই আরোহীসহ আশিক আলী ওই এলাকা অতিক্রম করছিলেন। এ সময় চেকপোস্টে তাদের থামিয়ে দেখতে চান সার্জেন্ট কাইয়ুম। এতে আপত্তি জানান বাইকচালক আশিক আলী। চাবি নিতে চাইলে তাতেও বাধা দেন তিনি। পরে মোটরসাইকেলটি আটক করা হলে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে নিজের মোটরসাইকেলে নিজেই আগুন দেন ওই যুবক।

Advertisement

ওই সময় কোর্ট স্টেশন এলাকায় টহল দায়িত্বে ছিলেন নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) মৌসুমী আক্তার। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী তিনি।

এ বিষয়ে মৌসুমী আক্তার বলেন, একে তো মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহী ছিল। তার ওপর তাদের কারোরই হেলমেট ছিল না। সঙ্গে মোটরসাইকেলটির কাগজপত্রও ছিল না। মোটরসাইকেলটি ট্রাফিক সার্জেন্ট আটক করে তাকে কাগজপত্র এনে দেখানোর শর্ত দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি সেই সুযোগটি প্রত্যাখ্যান করে নিজেই নিজের মোটরসাইকেলে আগুন দেন। এই ঘটনায় মোটরসাইকেলের মালিক আশিক আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নগর ট্রাফিক পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আশিক আলীকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) অনির্বান চাকমা।

তিনি ডেইলি বাংলাদেশকে বলেন, এটা নিছক পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়। মোটরসাইকেলটি তার নিজের সম্পদ হলেও তিনি পুলিশের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আগুন দিতে পারেন না। এতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। 

এ ঘটনার পর আশিক আলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তার বাবার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। রাজপাড়া থানা পুলিশ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!