এমনকি বাসরও হয় তাদের। স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে আত্মীয়র বাসা অবস্থানও করা পর পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠান করে ঘরে তুলবেন প্রেমিকার বাড়ি পাঠিয়ে দেন মকবুল। বাড়ি ফিরে এলে টালবাহানা শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। ঘটনাটি নারায়গঞ্জের।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মকবুল হোসেনের নামে ধর্ষণ মামলা করেন ওই প্রেমিকা। মকবুল হোসেন ফতুল্লা থানার হরিহর পাড়ার আমতলাস্থ মৃত আব্দুল মতিন মৃধার ছেলে।
.png)
ফতুল্লা মডেল থানার এসআই গোলাম মোস্তফা জানান, ২০২১ সালে ভুক্তভোগীর সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে মকবুল হোসেনের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে প্রেম থেকে বিয়ের প্রস্তাব দেন মকবুল। চলতি বছরের ২৩ মার্চ প্রেমিকাকে ফোন করে জানান, তিনি দেশে এসেছেন এবং চাঁদপুরে বোনের বাসায় আছেন। অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি প্রেমিকাকে চাঁদপুর আসার অনুরোধ করেন।
কথা রাখতে গিয়ে প্রেমিকা নরসিংদী থেকে চাঁদপুর চলে আসেন। সেখানে রাত ১১টার দিকে স্থানীয় হুজুর ডেকে প্রেমিকাকে বিয়ে করেন মকবুল। রাতে তারা বাসরও করেন। চাঁদপুর একদিন থাকার পর মকবুল ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ ঢালিপাড়ায় বড় ভাই মৃত আমিরের বাসায় প্রেমিকাকে নিয়ে যান। সেখানে কয়েক দিন স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে অবস্থানের পর গত ৬ মার্চ প্রেমিকাকে নিজ বাড়ি ফিরে যেতে বলেন। পারিবারিকভাবে অনুষ্ঠান করে তাকে তুলে আনার আশ্বাস দেওয়া হয়।
পরে বাড়ি ফিরে এলে টালবাহানা শুরু হয়। একপর্যায়ে প্রেমিকার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। গত ৩০ জুলাই তরুণী জানতে পারেন, মকবুল ঢালিপাড়াস্থ তার ভাইয়ের বাড়িতেই রয়েছে। পরে তিনি মকবুলের সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু এ সময় তিনি ভুক্তভোগীকে নিজের স্ত্রী হিসেবে অস্বীকার করেন। এ সময় তাকে কোমল পানীয়ের সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে অসুস্থ্য অবস্থায় তাকে সড়ক থেকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায় পথচারীরা। খবর পেয়ে ২ আগস্ট ভুক্তভোগীর ভাই ওই হাসপাতালে এসে তাকে নরসিংদী ফিরিয়ে নিয়ে যান।
তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত প্রধান আসামি যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী মকবুল একজন বিবাহিত ব্যক্তি। আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।