বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের গোলাকান্দাইল পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাদক ব্যবসা ও এলাকায় আধিপত্য নিয়ে ফারুকের সঙ্গে দেলোয়ারের বিরোধ চলছিল। উক্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন যাবৎ দুই পক্ষের মারামারি ও কুপিয়ে জখমসহ নানা ধরনের সংঘাত ঘটে। এ সবকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে দেলোয়ার লোকজন নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে ফারুক ও তার বড়ভাইয়ের বসতঘর, একটি ফার্নিচার ও একটি মুদি দোকানে আগুন দেন। এ সময় হামলা চালিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত করেন আরো ৫টি ফার্নিচারের দোকান। এতে আহত হন শাবানা, হারুন ও মুন্নী নামে ৩ জন।
.png)
ফারুকের দাবি, দেলোয়ার তাদের বাড়ি নির্মাণের জন্য এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না পেয়ে এ হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছেন। দেলোয়ারের বিরুদ্ধে পরিবহন ও ফুটপাতে চাঁদাবাজির অভিযোগও তোলেন তিনি।
এদিকে দেলোয়ারের দাবি, ফারুক ও তার ভাই বোনেরা সবাই মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে থানায় মাদকের মামলা রয়েছে। তারা এলাকার যুব সমাজকে ধ্বংস করছেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ফারুক নিজের লোকজন নিয়ে তার আত্মীয় শরীফ, রাজন, সুমন, জাকির, ইলিয়াসসহ ৭ জনকে কুপিয়ে আহত করেছেন। এছাড়া নিজেরাই আগুন ধরিয়ে তাকে ফাঁসানোর ষড়যন্ত্র করছেন বলে দাবি দেলোয়ারের।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (গ- সার্কেল) আবির হোসেন জানান, গোলাকান্দাইলের ঘটনায় পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টায় সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।