রোববার রাতে লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত গৃহবধূ মুক্তা খাতুন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার ঈশ্বর লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাবুদ হোসেনের মেয়ে এবং মান্দা উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের ইটাখোর গ্রামের রনি হোসেনের স্ত্রী।
এ ঘটনায় মুক্তা খাতুনের মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে দুইজনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করেন।
.png)
রোকেয়া বেগম জানান, প্রায় চার বছর আগে মুক্তাকে ইটাখোর গ্রামের ইব্রাহীম হোসেনের ছেলে রনির সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়। মেয়ের সুখের কথা ভেবে বিয়ের সময় ও পরে দুই দফায় জামাই রনিকে এক লাখ টাকা যৌতুক দেন। এরপরও বিভিন্ন সময় মুক্তাকে নির্যাতন করে আসছিল জামাই ও তার পরিবারের লোকজন। পারিবারিক বিষয় নিয়ে মুক্তাকে রোববার কয়েক দফায় নির্যাতন করা হয়। এসব নির্যাতন সইতে না পেরে মেয়ে মুক্তা আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। এ ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগ এনে মুক্তা খাতুনের স্বামী রনি হোসেন ও শাশুড়ি সাজেদা বেগমের বিরুদ্ধে রোববার রাতে মান্দা থানায় মামলা করা হয়েছে।
মান্দা থানার ওসি শাহিনুর রহমান বলেন, গৃহবধূ মুক্তা খাতুনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের মা রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলার প্রধান আসামি রনিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।