৫ আগস্ট জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা করেন বাদী কুলছুমা। তবে তথ্য ঘাটতে গিয়ে দেখা যায় বাদী-বিবাদী পক্ষের নানা অসংগতি।
এজাহারে বলা হয়, ১০ মে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে মামলার বাদী কুলছুমাকে অপহরণ করা হয়। কিন্তু ওইদিন প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিলো। এছাড়া আরো বলা হয়, প্রথমে তিনমাস বাড়িতে রেখে ধর্ষণ ও পরে বিয়ে হয় জনির সঙ্গে।
.png)
জানা যায়, এক বছর আগে হুজুরের মাধ্যমের তাদের বিয়ে হয়েছে। এতে লুকানো হয়েছে বাল্যবিয়ের বিষয়টিও। পাঁচ বছর আগে মৃত এমন ব্যক্তিকেও মামলায় আসামি করা হয়। তবে বাদীপক্ষের দাবি, তারা যৌতুক মামলা করতে যান। কিন্তু আইনজীবী আসামিপক্ষের নামের তালিকা নিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলা নথিভুক্ত করেন।
বাদী কুলছুমা বলেন, আমি শুধু আমার স্বামীর নামে মামলা করেছি। যে মারা গেছে জেনে-শুনে কেন তার নামে মামলা করবো।
তবে এমন দায় নিতে নারাজ মামলার আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন। তিনি বলেন,তারা আমাদের সঠিক তথ্য না দেওয়ায় এমন সমস্যা তৈরি হয়েছে।
পাঁচবিবি থানার ওসি পলাশ চন্দ্র দেব বলেন, আমরা মামলাটিকে সঠিকভাবে তদন্ত করছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরকারি কৌশলী নৃপেন্দ্রনাথ মণ্ডল বলেন, মামলায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে আদালতকে বিভ্রান্ত করা হলে শাস্তির বিধান রয়েছে। এটি অনেক বড় অপরাধ।
এদিকে, বর্তমান মামলাটি জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন।