জানা যায়, হামীম উপজেলার শিপপাশা গ্রামের শামীম চৌধুরীর ছেলে। সে এলাকায় পশু চিকিৎসক হিসেবে কাজ করতো। সে সুবাদে একই এলাকার এক তরুণী সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক সালিশের মাধ্যমে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে হামীমের পরিবার।
আরো পড়ুন >>> ছাগলে খেল ফসল, গোলাগুলিতে প্রাণ গেল যুবকের
.png)
অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ৮ মাস পর গত ১৭ মে মদন থানায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হামীম চৌধুরীকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই হামীম পলাতক ছিলেন। এর মধ্যে গত জুন মাসে তরুণীর একটি কন্যা সন্তান জন্ম হলে ওই দিনেই সন্তানটি মারা যায়। রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার বালালী বাঘমারা বাজার থেকে তাকে গ্রেফতার করে। এর আগে হামীমের অবস্থান নিশ্চিত করে গাজীপুর জেলায় অভিযান পরিচালনা করলে পুলিশে উপস্থিতি বুঝতে পেয়ে পালিয়ে আসেন তিনি। সোমবার গ্রেফতারকৃত হামীমকে নেত্রকোনা কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
মদন থানার ওসি মুহাম্মদ ফেরদৌস আলম জানান, ধর্ষণ মামলার আসামি হামীম চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভিকটিমের একটি সন্তান জন্ম হলে মারা যায়। পরে আমরা শিশুটির ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে প্রেরণ করেছি। হামীমকে সোমবার কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।