জানা গেছে, ‘টেক্সটাইল ডাই স্টাফ’ (কেমিক্যাল মিশ্রিত রং) ঘোষণা দিয়ে এসব সিগারেট আমদানি করে ঢাকা ইপিজেডের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান জং সাইন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। পণ্য চালানটির রফতানিকারক, তৈরি দেশ, আমদানিকারকের ব্যবসার ধরন ও ঠিকানা, পণ্যের বর্ণনা ইত্যাদি বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করে মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানির বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যায়। পরে সোমবার চালানটির শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ৮৪৯ কার্টন বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের ডেপুটি কমিশনার (এআইআর) মো. সাইফুল হক বলেন, চালানটিতে ৮৪৯ কার্টনে এক কোটি ৬৯ লাখ ৮০ হাজার শলাকা বিদেশি সিগারেট পাওয়া যায়। যার আনুমানিক শুল্কায়নযোগ্য মূল্য এক কোটি ১৯ লাখ টাকা। এ জালিয়াতির মাধ্যমে আমদানিকারক সাত কোটি ১৩ লাখ টাকা রাজস্ব ফাঁকির চেষ্টা করেন। আমদানিকারকের বিরুদ্ধে প্রচলিত কাস্টমস আইনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
.png)