বর্তমানে শিশুরা সুস্থ থাকলেও আর্থিক সংকটে পড়েছেন মৌসুমী আক্তারের স্বামী শরিফুল ইসলাম। একসঙ্গে চার সন্তানের খরচ বহন করতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে বলে জানান বিরল উপজেলার ভন্ডারা ইউনিয়নের সরকারপাড়ার বাসিন্দা শরিফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আট বছর পর সন্তান হওয়ায় অনেক খুশি ছিলাম। তবে বর্তমানে চার সন্তান নিয়ে চিন্তায় আছি। আমি কৃষক মানুষ। আমার সামান্য আয় দিয়ে সংসার চলে। কেমন করে এই চার সন্তানের ভরণপোষণ করব। এরই মধ্যে অনেক টাকা ঋণ হয়ে গেছে।
.png)
মৌসুমী আক্তার বলেন, আমার সন্তানদের মুখ দেখার পর আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখি মানুষ। শত কষ্ট হলেও সন্তানদের ভরণপোষণ করে যাব। আল্লাহ যেন আমার বাচ্চাদের সুস্থ রাখেন, এই দোয়া চাই সবার কাছে।
গত ৩১ আগস্ট বুধবার সিজারের মাধ্যমে বুধবার দুপুর ১২টার দিকে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ডে সিজারের মাধ্যমে একসঙ্গে চার সন্তানের জন্ম হয়। তার মধ্যে ৩টি ছেলে সন্তান এবং ১টি মেয়ে সন্তান।