মঙ্গলবার রাতে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় জনৈক সাগর মিয়ার ভাড়া বাসায় চাঞ্চল্যকর এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। গ্রেফতাররা হলেন- ধর্ষক শহরের কানাইখালী মহল্লার আফজাল হোসেনের ছেলে রনি মিয়া, মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে রকি এবং আব্দুল মজিদের ছেলে সোহান, সহযোগী মৃদুল হোসেন এবং তার স্ত্রী মিথিলা পারভীন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোর সদর থানার এসআই মো. জামাল উদ্দীন।
.png)
তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকেলে রাজশাহীর বিনোদপুর থেকে আবির নামে এক দোকান কর্মচারী তার এসএসসি পরীক্ষার্থী প্রেমিকাকে নিয়ে নাটোর আসেন। পরে স্থানীয় হরিশপুর এলাকার মঈন উদ্দিন নামে এক বন্ধু তাদের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে শহরের হাফরাস্তা এলাকায় মৃদুল ও মিথিলা দম্পতির বাসায় নিয়ে যান। পরে ওই দম্পতি ধর্ষক রনি, রকি ও সোহানকে ডেকে নেন। এ সময় তারা দলবদ্ধভাবে ওই ছাত্রীর গলায় চাকু ধরে ধর্ষণ করেন। এবং ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে তাদের টাকা না দিলে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেবে বলে ভয়ও দেখান।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর ওই প্রেমিক-প্রেমিকা ছাড়া পেয়ে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে নাটোর সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। সঙ্গে সঙ্গে সক্রিয় হয় নাটোর থানা পুলিশ। মঙ্গলবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার তেলকুপি নুরানীপাড়া থেকে তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে রাতেই মিথিলা ও মৃদুলকে শহরের হাফরাস্তা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।