সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকায় আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ভোরে নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কের আশুলিয়ার ডেন্ডাবর কবরস্থান রোডের বিপরীত পাশে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের আটক করা হয়। পুলিশ বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
আটককৃতরা হলেন-ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার সুবনাপুর গ্রামের মো. আকতার হোসেনের ছেলে মো. সাজু, নীলফামারী জেলার ডিমলা থানার কাকিনা চাপানি গ্রামের মো. আরশাদ হকের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান সম্রাট, ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা থানার সিগারপুর গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম ওরফে জাহারুল এবং ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার গোপালপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. নাঈম। তারা আশুলিয়ার ইসলামনগর এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
.png)
পুলিশ জানায়, সোমবার ভোরে একদল ডাকাত চলন্ত যানবাহন গতিরোধ করে ডাকাতির প্রস্তুতির নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা একটি নীল রঙের প্রাইভেট কারে পালানোর চেষ্টা করে। অভিযান চালিয়ে তাদের চারজনকে আটক করা হয়। এ সময় একজন পালিয়ে যায়। তাদের ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত জাহাঙ্গীরনগরে পেছনে আমতলা গ্রামের মো. শামিম মোল্লার মালিকানার প্রাইভেটাকারসহ বিভিন্ন দেশি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
আশুলিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম বলেন, তাদের বিরুদ্ধে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে। মূলত মহাসড়কে যানবাহনসহ পথচারীদের টার্গেট করে সুযোগ বুঝে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সব লুটে নেয়। তাদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালীদের হাত রয়েছে। প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য আমরা সংগ্রহ করেছি। তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।