অঢেল সম্পদের মালিক ফরিদ আলম ৯ নং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি- ১০ ব্লকের বাসিন্দা।
ফরিদ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা হলেও কক্সবাজার শহরে রয়েছে তার নিজস্ব বাড়ি। ফার্মেসির আড়ালে চলছে ইয়াবা, হুন্ডি ও চোরাচালান। ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে একজন বাংলাদেশির লাইসেন্স ব্যবহার করে চালিয়ে যাচ্ছেন এ অবৈধ ফার্মেসি।
.png)
স্থানীয়রা জানান, উখিয়াতে তার রয়েছে একাধিক ফার্মেসি। সবকয়টিতে ব্যবহার হচ্ছে অন্যজনের লাইসেন্স। নাইক্ষ্যংছড়ি, কাস্টমস অফিস সংলগ্ন ঘুমধুমের তারেকের ওষুধের লাইসেন্স ব্যবহার করছেন রোহিঙ্গা ফরিদ। তারেক তার ইয়াবা ব্যবসার সহযোগী।
এ ব্যাপারে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, স্থানীয়দের লাইসেন্স নিয়ে অনেক রোহিঙ্গা অবৈধ ফার্মেসি চালাচ্ছে। এসব বিষয়ে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
তিনি আরো জানান, উখিয়ার বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবৈধভাবে ফার্মেসি দিয়ে শত শত রোহিঙ্গা হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। অথচ তাদের কোনো লাইসেন্স নেই।