ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রামগতি-কমলনগর রায়পুর ও সদরের মজুচৌধুরী হাট উপকূলীয় এলাকার ঘরবাড়ি গুলোর। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কমলনগর মেঘনা তীরবর্তী নাসিরগঞ্জ এলাকায়।
মেঘনায় জলোচ্ছ্বাসে পাঁচ থেকে ছয় ফুট পানি প্রবেশ করে প্রায় এক কিলোমিটার পাকা সড়ক বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এতে যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটছে গাড়িসহ সাধারণ মানুষের। সড়কের পাশের গাছ পড়ে স্থানীয় মসজিদ সহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া গত তিনদিন থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে আছে। এতে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ফসলি জমি ধানের খেত। পানির নিচে ডুবে গেছে কয়েক একর ধানের জমিসহ শীতকালীন সবজির খেত।
.png)