মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১২টা থেকে দুপুর আড়াই পর্যন্ত সদরের ফতেহ আলী ও রাজা বাজারসহ বড়গোলা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার ও জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম।
অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত দুজন হলেন- বড়গোলা এলাকার ব্যবসায়ী এ.কে ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী আনন্দ কুমার কুন্ডু। তিনি খাদ্যপণ্য চিনি কেনাবেচা সংক্রান্ত নথি যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনে ব্যর্থ হন। এ কারণে তাকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
.png)
অন্যজন হলেন, রাজাবাজারের খুচরা ব্যবসায়ী হাফিজার রহমান। চিনি কেনাবেচার রশিদ সংরক্ষণ না করায় তাকে ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয় বলে জানান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্র বলছে, সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়নে খাদ্যপণ্য চিনির বাজার মূল্য নিয়ন্ত্রণে খুচরা, পাইকারি ও ডিলার পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। অভিযানে দুই ব্যবসায়ীকে দুই মামলায় মোট ১৫ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ সময় তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযানে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের বগুড়া কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী ও বগুড়ার সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আবু সালেহ মো. হাসান সারওয়ারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জান্নাতুল নাইম বলেন, জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের বাজার মনিটরিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।