ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

৯ শর্তে অনুমতি পেল বিএম ডিপো

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:০৩, ২৬ অক্টোবর ২০২২
৯ শর্তে অনুমতি পেল বিএম ডিপো
ফাইল ছবি

পোশাক খাতের রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনায় সাময়িক অনুমোদন পেয়েছে সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপো। এক্ষেত্রে নয়টি শর্ত মানতে হবে প্রতিষ্ঠানটিকে।

মঙ্গলবার তিন মাসের এ অনুমোদন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তবে শর্ত না মানলে তিন মাস পর অনুমোদন বাতিল হয়ে যাবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- ডিপোসংশ্লিষ্ট সব ধরনের নীতিমালা প্রতিপালন, বন্দরের অনাপত্তি, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনার নীতিমালা বাস্তবায়ন ইত্যাদি।

Advertisement

এ বিষয়ে বিএম ডিপোর মহাব্যবস্থাপক নুরুল আকতার বলেন, পোশাক খাতের রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনার জন্য  আমাদের অনুমোদন দিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। বুধবার থেকে এ রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া কাস্টমসের শর্ত অনুযায়ী দুর্ঘটনার পর থেকে ডিপোতে সংস্কার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো উন্নত করা হয়েছে। আগুন নেভাতে পানির সরবরাহ নিশ্চিত করতে ফায়ার হাইড্রেন্ট স্থাপনের কাজ চলছে।

গত ৪ জুন রাতে বিএম কনটেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে প্রাণ হারান ফায়ার সার্ভিসের ১০ কর্মীসহ মোট ৫১ জন। এছাড়া আহত হন আরো দুই শতাধিক। দুর্ঘটনার পর বিএম ডিপোর কার্যক্রম কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে অন্য ডিপোগুলোতে চাপ বাড়ে। এ অবস্থায় ডিপোটিতে আমদানি-রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দিতে এনবিআরের কাছে চিঠি দেয় বিজিএমইএ, চট্টগ্রাম চেম্বার ও ডিপো সমিতি। 

এনবিআর এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে অনুশাসন প্রদান করলে বিএম ডিপো কর্তৃপক্ষও সংস্কার কার্যক্রম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার অগ্রগতি তুলে ধরে সব ধরনের কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন চেয়ে কাস্টমসে দুই দফায় আবেদন করে। এরপরই স্বল্প সময়ের জন্য বিএম ডিপো কর্তৃপক্ষকে পোশাক খাতের রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনার কার্যক্রম শুরুর অনুমোদন দেয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমসের সেই চিঠিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক নৌ সংস্থা প্রণীত ‘ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম ডেঞ্জারাস গুডস বা আইএমডিজি কোড’ প্রতিপালন করার আগে বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনা করা যাবে না। বিপজ্জনক পণ্য ব্যবস্থাপনার আগে ডিপোতে আলাদা ছাউনি ও চত্বরের ব্যবস্থা করতে হবে। এ জন্য যথোপযুক্ত কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকতে হবে বলে কাস্টমসের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।

রফতানি পণ্য বিদেশি ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ফ্রেইট ফরোয়ার্ডাস অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খায়রুল আলম বলেন, বিএম ডিপো বন্ধ থাকায় অন্য সব ডিপোর ওপর চাপ বেড়ে যায়। এখন ডিপোটি পোশাক খাতের রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সাময়িক অনুমোদন পাওয়ায় এ চাপ কিছুটা কমবে। এতে রফতানি পণ্য ব্যবস্থাপনা গতিশীল হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
ট্যাগ: চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!