হাসপাতাল ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাত ৮টার দিকে ঐ স্কুলছাত্রী তাদের ঘর থেকে চাচতো ভাইকে পাশের বাড়িতে এগিয়ে দিতে যায়। সেখান থেকে ফেরার পথে বাড়ির পাশে নির্জন স্থানে ধরে নিয়ে যায় বেলটিয়া গ্রামের রিফাত ও হাবিবুর। এ সময় হাবিবুরের সহযোগিতায় রিফাত তাকে ধর্ষণ করে।
স্কুলছাত্রীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এলে রিফাত পালিয়ে যায়। এ সময় জনতা হাবিবুরকে ধরে পুলিশে দেয়। ঐ রাতে অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত রিফাতকে আটক করে পুলিশ।
.png)
এদিকে স্কুলছাত্রী নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার ঐ ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
লোহাগড়া থানার ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, মূল অভিযুক্তসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।