দীর্ঘদিন কাজ করার সুবাধে ওই এলাকার পানজোড়ার আব্দুল হাই মার্কেটের ভাড়া বাসায় থাকতেন। গত ৩১ মে প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার সেরে ঘুমাতে যান। পরদিন ১ জুন সন্ধ্যা নাগাদ দরজা না খোলায় পার্শ্ববর্তী মানুষের সন্দেহ হলে স্থানীয় ইউপি মেম্বারকে খবর দেওয়া হয়।
তিনি এসে কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা ফাঁড়ি পুলিশকে জানালে দরজা ভেঙে ঘরের সিলিং ফ্যানে গামছায় ঝুলন্ত নিরঞ্জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সেই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠানো হয়। মৃত্যুর পাঁচ মাস পর ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে জানা গেলো নিরঞ্জনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। বুধবার রাতে উলুখোলা ফাঁড়ির এসআই মধূসূদন পান্ডে বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
.png)
বৃহস্পতিবার দুপুরে মামলার বিষয়টি যৌথভাবে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার এসআই মো. শামীশ মিয়া ও উলুখোলা ফাঁড়ি পুলিশের ইউচার্জ (এসআই) মধূসূদন পান্ডে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. শামীম মিয়া জানান, নিহত নিরঞ্জন হাউই মৃতের আত্মীয়ের লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনার সময় কালীগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়। পরে নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গত ২ নভেম্বর হাতে পায় পুলিশ। সেখানে উল্লেখ করা হয়, নিরঞ্জন হাউইকে শ্বাসরোধের হত্যা করা হয়েছে। এখন সেই মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ব্যাপারে পুলিশ কাজ করছে।