মঙ্গলবার দুপুরে অস্ত্র আইনে করা মামলায় তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, সোমবার রাত সাড়ে তিনটার দিকে ওই উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতরা করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে বার্মিজ চাকু উদ্ধার করা হয় বলে জানান আদমদীঘি থানার ওসি মো. রেজাউল করিম রেজা।
গ্রেফতররা হলেন ছাতিয়ানগ্রাম বাজার এলাকার মেজবাউল হক ও রাফি।
.png)
সম্প্রতি বগুড়ায় খুনের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।একই সঙ্গে দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে বগুড়ার কিশোরসহ সদ্য কৈশোর পেরোনো যুবকেরা। তারা খুনসহ নানা অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।
চলতি বছরের নভেম্বর মাসের শুরুতেই খুন হন শিক্ষানবীশ আইনজীবী আব্দুল বারী চাঁন। গত ১ নভেম্বর সকালে জমি সংক্রান্ত বিরোধে সদরের চকফরিদ এলাকায় ধারালো কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে গত ৫ নভেম্বর সকালে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমার মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে মারা যান তিনি। শজিমেকে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন ছিলেন আব্দুল বারী চাঁন।
পরে গত ১১ নভেম্বর রাতে বিলিয়ার্ড (পুল) খেলাকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে ছুরিকাঘাতের জুনায়েদ আল-হাবিব বিপুল নামের এক যুবক নিহত হন। সদরের নামাজগড় এলাকায় ছুরিকাঘাতের শিকার হয়ে নিহত হন বিপুল। নিহত ২১ বছরের বিপুল সদরের বাদুরতলা এলাকার মৃত সাইফুল ইসলামের ছেলে।
এর আগে, গত ৪ নভেম্বর রাতে পূর্ব শক্রতার জেরে ছুরিকাঘাতে ১৭ বছর বয়সী রবিউল ইসলাম রবিন নামে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়। সদরের গোদারপাড়া এলাকায় ছুরিকাঘাতের শিকার হন রবিন।
নিহত রবিন গোদারপাড়া এলাকার নওশাদ আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
ওসি মো. রেজাউল করিম রেজা বলেন, আদমদীঘিতে গ্রেফতার হওয়া দুজন গভীর রাতে অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। যেকোনো ধরণের অপরাধ সংঘটন করাই তাদের উদ্দেশ্যে ছিল। রাতে টহল পুলিশের সন্দেহ হলে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এক পর্যায়ে তাদের দেহ তল্লাসী করে দুটি চাকু উদ্ধার করা হয়।