জেলার ১৩টি উপজেলার মধ্যে ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রামে সবচেয়ে বেশি বোরো ধানের আবাদ হয়। হাওরের মধ্যে পড়েছে এ তিন উপজেলা। এবার জেলায় এক লাখ ৮৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ।
একমাত্র বোরোর আবাদের ওপর নির্ভরশীল এ জেলার হাওরাঞ্চলের কৃষকরা । তাই হাওরে বোরো ধানের মৌসুমকে ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। জেলায় হাইব্রিড ধানের ৩২০ হেক্টর, উপসী ধানের এক হাজার ২৫০ হেক্টর ও স্থানীয় জাত ৩৩ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি হয়েছে।
.png)
এ বছর এখনো কুয়াশা কিছুটা কম থাকায় খুশি বোরো চাষিরা। একটু আগেভাগে বোরোর বীজতলা তৈরির কাজে হাত দিয়েছেন তারা। কেউ ট্রাক্টর দিয়ে জমি চাষ, পানি সেচ, বীজতলা সমান করা, বীজ বপনে ব্যস্ত রয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. আব্দুস সাত্তার বলেন, এ বছর কৃষকদের সব সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার। বোরো আবাদে জেলার এক লাখ কৃষককে প্রণোদনা দেওয়া হবে। ৫০ হাজার কৃষককে হাইব্রিড বীজ দেওয়া হচ্ছে। আর ৫০ হাজার কৃষক উপসী বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার পাবেন।