রোববার মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ গোলাম আজাদ খান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে, শনিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের মাঝিপাড়া জনৈক জসিম উদ্দিনের বাড়ি থেকে ঐ নবজাতককে উদ্ধার করা হয়। আটককৃতরা হলেন- আল মামুন, মো. ইমান আলী, ইমান আলীর স্ত্রী ময়না বেগম এবং শিরিন আক্তার।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৯ নভেম্বর উপজেলার নয়াডিঙ্গি রিয়া ক্লিনিকের ম্যানেজার মামুনের মাধ্যমে শিউলি ঐ ক্লিনিকে ভর্তি হন। একইদিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিউলির একটি ছেলে হয়।
পরে ক্লিনিকের ম্যানেজার আল মামুনের সহযোগিতায় নাজমুল হোসেন, ইমান আলী, ময়না খাতুন ও শামসুল হক ঐ নবজাতক শিশুকে নিয়ে পালিয়ে যান।
.png)
কিছুটা সুস্থ হয়ে শিউলি আক্তার তার ছেলেকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি করেন এবং ক্লিনিকের লোকজনকে জিজ্ঞাসা করেন। পরে শনিবার নবজাতক চুরি সংক্রান্ত বিষয়ে সাটুরিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশের দুইটি টিম মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া থানাসহ আশপাশের বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালায়। তারা টানা তিনঘণ্টা অভিযান চালান। পরে রাত সোয়া ১০টার দিকে সাটুরিয়া উপজেলার ফুকুরহাটি ইউনিয়নের মাঝিপাড়া জনৈক জসিম উদ্দিনের বাড়ি থেকে নবজাতককে উদ্ধারসহ সংশ্লিষ্টদের আটক করা হয়।