শনিবার গভীর রাতে উপজেলার বরাইদ ইউনিয়নে ছনকা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক দুজন হলেন- আকলিমা বেগম (৩০) ও সজল (৩০)। ৪ ঘণ্টা পর ওই নবজাতককে উদ্ধার করা হয়।
.png)
এলাকাবাসী জানান, ওই এলাকার আরিফ হোসেনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার দুই মাস আগে এক পুত্রসন্তান জন্ম দেন। কয়েক দিন ধরে বাড়ির আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায় ছনকা মোল্লাপাড়ার পাখি মিয়ার ছেলে সজল ও দৌলতপুর উপজেলার কান্দা উয়াইল এলাকার খালেকের ছেলে ঝন্টুকে (২৭)।
তারা আরো জানান, শনিবার গভীর রাতে তারা দুজন আরিফের বসতঘরে সিঁধ কেটে নবজাতককে চুরি করে নিয়ে যায়। রাত ৩টার দিকে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গিয়ে নবজাতকের দাদি দেখেন- ঘরের মেঝেতে সিঁধ কাটা। নবজাতকও বিছানায় নেই।
সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবেশীরা শিশু চুরির বিষয়টি মসজিদ থেকে মাইকিং করে বিষয়টি জানান। ভোরে পাট জাগ দিতে যাওয়ার সময় স্থানীয় মহব্বত ও ইসহাক মিয়া এক নারীর কোলে নবজাতক দেখে সন্দেহ করেন। পরে তাকে আটক করেন। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সজলকে আটক করা হয়। এরপর দুজনকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। চুরির ঘটনায় জড়িত অপর যুবক ঝন্টু পলাতক।
আকলিমা বেগম দৌলতপুর উপজেলার খলিশা ডহরা গ্রামের সোহেল খন্দকারের স্ত্রী।
সাটুরিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আশরাফুল আলম বলেন, উদ্ধার হওয়া নবজাতককে সাটুরিয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিশু চুরির দায়ে অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।