রোববার দুপুরে ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ ওসমান হায়দার এ রায় ঘোষণা করেন।
জানা যায়, ২০২০ সালের ২৪ জুলাই বিকেলে ভুক্তভোগী কিশোরী বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এ সময় কৌশলে কিছু দেওয়ার ইশারা করে ঘরে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন পলাশ। ঐ কিশোরীর চিৎকার শুনে বাড়ির লোকজন এগিয়ে আসলে পলাশ ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যান। পরে পলাশের স্ত্রী ও শাশুড়িসহ বাড়ির লোকজন দরজা খুলে কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা করান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সোনাগাজী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।
.png)
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুরুল করিম একই বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর পলাশকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ ড. বেগম জেবুন নেছা চার্জ গঠন করে বিচার কাজ শুরু করেন। মামলা চলাকালে আদালত ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। এর আগে, গ্রেফতারকৃত পলাশ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এপিপি ফরিদ আহম্মদ হাজারী জানান, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত হানিফ প্রকাশ পলাশকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।