মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের কবরস্থান থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। চান্দু মিয়া একই গ্রামের মধু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফকিরপাড়া গ্রামের মতিন মিয়া ও তার লোকজনের সঙ্গে একই গ্রামের চান্দু মিয়ার জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে আদালতে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মামলাও চলমান রয়েছে। চলতি বছরের ১৪ অক্টোবর সন্ধ্যায় চান্দু মিয়া বাড়ি থেকে পার্শ্ববর্তী বালাআটা বাজারে যাচ্ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে স্থানীয়রা বাড়ির অদূরে চান্দু মিয়াকে মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা চান্দু মিয়াকে উদ্ধার করে বালাআটা বাজারে নিয়ে যান। বাজারের স্থানীয় চিকিৎসক চান্দু মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন সকালে চান্দু মিয়ার লাশ দাফন করা হয়।
.png)
চান্দু মিয়ার মৃত্যুর ঘটনাটি সন্দেহভাজন মনে হওয়ায় তার স্ত্রী শোভা বেগম বাদী হয়ে ২৮ অক্টোবর সদর থানায় মামলা করতে যান। পরে তাকে আদালতে মামলার পরামর্শ দেওয়া হয়। পরদিন চান্দু মিয়াকে আঘাত ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ এনে তার স্ত্রী আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় মতিন মিয়াসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় গাইবান্ধার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গত ১১ ডিসেম্বর চান্দু মিয়ার লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন। প্রায় দুইমাস পর আদালতের নির্দেশে তার লাশ মঙ্গলবার দুপুরে কবর থেকে উত্তোলন করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার উপ-পরিদর্শক আবদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে কবর থেকে লাশটি উত্তোলন করা হয়। এটি ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।