ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নিরাপদ নীড়ে মৌমাছির গুনগুন ধ্বনি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:০২, ২৮ ডিসেম্বর ২০২২
নিরাপদ নীড়ে মৌমাছির গুনগুন ধ্বনি
এক গাছে ৬০টি মৌচাক

পাইকড় গাছ। সড়কের ধারের এ গাছেই নীড় বেঁধেছে মৌমাছিরা। তাও আবার ৬০টি মৌচাক। বছরের ছয় মাস এখানেই কাটিয়ে দেয়  মধুকররা। নিরাপদ নীড়ে থাকা মৌমাছির গুনগুন ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে চারপাশ।

চোখজুড়ানো এমনই দৃশ্যের দেখা মেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার কানসাট-ভোলাহাট সড়কের সোনাজল এলাকায়। পাইকড় গাছটি দেখভাল করেন একই এলাকার সেভেন স্টার ইটভাটার মালিক-কর্মচারীরা।

জেলার বিভিন্ন স্থানে এখন সরিষা চাষ করছেন কৃষকরা। সরিষার ক্ষেত থেকে মধু আহরণ করে এসব চাকে নিয়ে আসে মৌমাছিরা। ফলে মৌমাছির গুনগুন ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গাছতলা ও আশপাশ। সড়কের ধারের গাছটিতে প্রায় ৬০টি মৌচাক রয়েছে। সাধারণত মৌমাছিরা পাঁচ-ছয় মাসের জন্য গাছটিতে বাসা বাঁধে। আবার আমগাছে মুকুল ফোটার সময় অন্য এলাকায় গড়ে তোলে নীড়।

Advertisement

সেভেন স্টার ইটভাটার মালিক রাফিকুল হক ডুবলু বলেন, ১০ বছর ধরে এ গাছটিতে মৌমাছিরা চাক বানাচ্ছে। বড়ই ফুল আসার সময় মৌমাছিরা এখানে আসে। এর আগে আমরা গাছের ডালপালা পরিষ্কার করি। তিন-চারবার মধু সংগ্রহ করার পর আরো তিন-চার মাস থাকে এসব মৌচাক।

কৃষক শামসুল হক বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই গাছটিতে মৌচাক বাঁধে মৌমাছিরা। গাছের প্রায় সব বড় ডালেই চাক বাঁধে। একটি গাছে এত মৌচাক সাধারণত দেখা যায় না।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের পরিবেশবাদী সংগঠন সেভ দ্যা নেচারের প্রধান সমন্বয়ক রবিউল হাসান ডলার বলেন, এক গাছে এত মৌচাক সাধারণত খুব কমই দেখা যায়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মৌমাছিদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই মৌমাছিরা যেন নির্ভয়ে মৌচাক তৈরি ও মধু সংগ্রহ করতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে।

ভোলাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতাল আলী জানান, সড়কের ধারের পাইকড় গাছটিতে ৫০-৬০টি মৌচাক রয়েছে। ১০-১৫ বছর ধরে এ গাছে মৌমাছিরা বাসা বাঁধে বলে জেনেছি। এ দৃশ্য দেখতে খুবই ভালো লাগে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!