অবৈধপথে দেশ ছাড়তে মরিয়া রোহিঙ্গারা
সাগরপথে অবৈধভাবে বিভিন্ন দেশে মানবপাচারে সক্রিয় শক্তিশালী রোহিঙ্গা চক্র। সেই চক্রের সঙ্গে আঁতাত করে প্রতি মাসে ঘর ছাড়ছে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া হাজারো রোহিঙ্গা। তিন থেকে চার লাখ টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের নৌকায় তুলে দেন চক্রের সদস্যরা।
জানা গেছে, কক্সবাজার, টেকনাফ ও উখিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে রয়েছে কয়েক লাখ রোহিঙ্গা। উন্নত জীবনের আশ্বাস দিয়ে সমুদ্রপথে রোহিঙ্গাদের মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার জন্য প্রলুব্ধ করেন রোহিঙ্গা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা। তাদের ফাঁদে পা দিলেই তিন থেকে চার লাখ টাকার চুক্তি করতে হয়। এরপর টাকা নিয়ে রোহিঙ্গাদের নৌকায় তুলে দেন তারা। তবে অনেকে প্রতারণার শিকারও হন।
গত ৯ নভেম্বর সাগরপথে মালয়েশিয়া পাড়ি দেওয়ার সময় টেকনাফের মহেষখালীয়া পাড়া থেকে ১১ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেন এপিবিএন সদস্যরা। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িত মানবপাচার চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়।
.png)
এপিবিএন-এর মিডিয়া কর্মকর্তা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জামাল পাশা বলেন, মালয়েশিয়া নেয়ার কথা বলে কুতুপালং ও বালুখালী ক্যাম্পের ১১ রোহিঙ্গাকে মহেষখালীয়া পাড়ার একটি বাড়িতে নিয়ে জড়ো করেন মানবপাচার চক্রের সদস্যরা। সেখানে অভিযান চালিয়ে তাদের উদ্ধার ও চক্রের চার সদস্যকে আটক করা হয়। পরে উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গাদের স্ব স্ব ক্যাম্পে ও আটকদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মাহফুজুল ইসলাম বলেন, টেকনাফ বেল্টকে রুট হিসেবে ব্যবহার করছে মানবপাচার চক্রের সদস্যরা। ঐ এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এরই মধ্যে এ চক্রের বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া কিছু গডফাদারকেও চিহ্নিত করা হয়েছে।