সুযোগ পেলেই স্থানীয়দের অপহরণ করে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা
কক্সবাজারের টেকনাফে ফের বেড়েছে রোহিঙ্গা আতঙ্ক। সুযোগ পেলেই এখানকার বাসিন্দাদের অপহরণ করছে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। এমনকি ধর্ষণও বেড়েছে। তবে রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের এসব অপকর্ম রোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ার জাহাজচুরা এলাকা থেকে অপহরণের শিকার হন আট বাংলাদেশি। তবে চারদিন পর মুক্তিপণ নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয় রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা।
২১ ডিসেম্বর ভোরে ছয় লাখ ৪০ হাজার টাকা দিয়ে জিম্মিদশা থেকে ছাড়া পান আট বাংলাদেশি। এদিন রাতেই তাদের হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরে ভোর ৪টার দিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়।
.png)
জিম্মিদশা থেকে ছাড়া পাওয়া যুবকদের সঙ্গে বৃহস্পতিবার বিকেলে কথা বলেন কক্সবাজারের এসপি মাহফুজুল ইসলাম।
মুক্তি পাওয়া রোহিঙ্গারা হলেন- জাহাজপুরা এলাকার বাসিন্দা রশিদ আহমেদের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ, একই এলাকার সৈয়দ আমিরের ছেলে মোস্তফা কামাল, মমতাজ মিয়ার ছেলে মো. রিদুয়ান, রুস্তম আলীর ছেলে সেলিম উল্লাহ, সৈয়দ আমিরের ছেলে করিম উল্লাহ, কাদের হোসনের ছেলে নুরুল হক, নুর মোহাম্মদ ও রশিদ আহমদের ছেলে আবছার।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিক বলেন, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে মুক্তিপণ নিয়ে ফেরার শর্তে প্রথমে ছয়জনকে বাড়িতে পাঠায় অপহরণকারী রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা। ছয়জন এলাকায় এসে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে পাহাড়ে গেলে বাকি দুজনকেও ছেড়ে দেওয়া হয়।
বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বলেন, জাহাজচুরা থেকে অপহৃত মোস্তফা ছাড়া বাকিরা সবাই দিনমজুর। রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা সুযোগ পেলেই এলাকায় এসে লোকজনকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে। অতীতেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন এ জনপদের মানুষ।