সোমবার দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক হাবিবা মন্ডল এই রায় ঘোষণা করেন। এ সময় আদালতে পাঁচ আসামিকে হাজির করা হয়। অন্য আসামিদের মধ্যে সাতজন পলাতক আছেন এবং একজন মারা গেছেন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- রাজু শেখ, রিপন শেখ, আইনুল ইসলাম, খয়বর আলী, একরাম হোসেন, রিজু শেখ, রাবু শেখ, সিরাজুল ইসলাম, আজগর আলী, আশরাফুল ইসলাম, মাহফুজার রহমান ও জিন্নাহ প্রামাণিক।
.png)
আসামিদের মধ্যে আদালতে উপস্থিত থাকা পাঁচজন হলেন- বগুড়া সদরের বানদীঘি এলাকার সিরাজুল ইসলাম, মো. জিন্নাহ, নিশিন্দারা এলাকার আশরাফুল ইসলাম ও ঝোপগাড়ীর মাহফুজার রহমান ও আজগর আলী।
পলাতক আসামিরা হলেন- সদরের বানদীঘি এলাকার রাজু শেখ, রিপন শেখ, রিজু শেখ, রাবু শেখ, আইনুল ইসলাম, খয়বর আলী ও বড় কুমিরার একরাম হোসেন।
নিহত রঞ্জু সদরের বড়কুমিড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। ২০১২ সালের ৭ জুলাই পূর্ব শক্রতার জেরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের বাবা আজহার আলী বাদী হয়ে ১৩ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় ২০১৩ সালের ৫ জুন তৎকালীন সদর থানার পরিদর্শক নুরে আলম সিদ্দীকী আদালতে চার্জশিট জমা দেন। মামলা চলাকালীন বাদল শেখ নামের এক আসামি মারা যান। দশ বছর পর সেই মামলার রায় ঘোষণা করা হলো।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) নাছিমুল বারী হলি বলেন, পূর্ব শক্রতার জেরে রঞ্জু শেখকে হত্যা করা হয়। এই মামলার রায়ে রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহতের স্বজনরা। রায় ঘোষণার পর উপস্থিত থাকা আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয় আদালত।