সর্বশেষ গত ৩১ ডিসেম্বর টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদা ক্যাম্পে হাকিম আলীর ছেলে জোবায়ের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। এর আগে, গত ২৬ ডিসেম্বর বালুখালী ক্যাম্পে মোহাম্মদ হোসেন নামে এক রোহিঙ্গা মাঝিকে হত্যা করা হয়।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত চার মাসে রোহিঙ্গা গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। এছাড়া অন্তত ৬০০ থেকে ৭০০ রোহিঙ্গা মাঝি (নেতা) আতঙ্কে ভুগছেন। এর মধ্যে শতাধিক মাঝি আত্মগোপনে চলে গেছেন।
.png)
পুলিশের তথ্যমতে, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে গত চার মাসে একাধিক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে ২০টির বেশি সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) এর সদস্য এবং আটজন রোহিঙ্গা মাঝি। বাকিরা সাধারণ রোহিঙ্গা।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এর অধিনায়ক এডিশনাল ডিআইজি আমীর জাফর বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প অস্থির করে তুলতে কয়েকটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। তাদের দমন করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।