হাড় কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত
সারাদেশের ন্যায় শীতে কাঁপছে দামুড়হুদা। সূর্যের আলোর দেখা মিলছে না পুরোটা দিন। বাড়ছে দুর্ভোগ। গত দুদিনের হাড় কাঁপানো শীতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার দৈউলী গ্রামের আবুল হোসেন ও ইসমাইল হোসেন।
জানা গেছে, সারাদেশে কনকনে হাড় কাঁপানো শীতে কাপছে সাধারণ মানুষ সহ পশু পাখি। বুধবার কিছুটা বেচা কেনা বেড়েছে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে। দুর্ভোগ বেড়েছে খেটে খাওয়া মানুষের। ঠান্ডায় মানুষজন বের হতে পারছে না ঠিকমতো। শীত নিবারণের জন্য মানুষজন ভিড় জমাচ্ছে গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে। পশুদের শীত নিবারণের জন্য গায়ে চট, পুরাতন কাপড় জড়িয়ে দিচ্ছে কৃষকেরা। ঠান্ডা জনিত কারণে বেড়েছে রোগবালাই।

.png)
মঙ্গলবারে দামুড়হুদার দৈউলী গ্রামের আবুল হোসেন ও বুধবারে একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন মারা যান। দুজনেই শ্বাস কষ্ট জনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন। চলতি বোরো মরসুম শুরু হলেও শীতের কারণে ধান রোপণ করতে পারছে না কৃষকরা। তবে বীজতলা যাতে নষ্ট না হয় সেজন্য বিশেষ পরিচর্যা করছে কৃষকরা। সন্ধার আগেই মানুষজন বাড়ি ঘরে ফিরছেন। সন্ধার পরপরই ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে পুরো উপজেলা শহর সহ গ্রামগণ্জ। বাজার ও সড়কে মানুষ শুন্য হয়ে পড়ছে। বিশেষ কারণ ছাড়া কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছে না।
এদিকে, শীত নিবারণে শীতবস্ত্রের অভাব দেখা দিয়েছে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে। সরকারি ভাবে শীতবস্তু বিতরণ করা হলেও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল্য। বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তি পর্যায়ে শীতবস্ত্র বিতরণ জরুরি বলে সচেতন মহল মনে করছেন।