ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:১৩, ১৩ জানুয়ারি ২০২৩
লোকারণ্য কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত
ছবি: সংগৃহীত

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতে নোনাজল ও বালিয়াড়িতে মেতেছেন লাখো পর্যটক। লোকে লোকারণ্য সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের সমুদ্রস্নানে নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক টহল দিচ্ছেন লাইফ গার্ডকর্মীরা।

শুক্রবার বেলা ১১টায় সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে দেখা যায়, সাগরতীরজুড়ে লোকে লোকারণ্য। বালিয়াড়ি থেকে শুরু করে সাগরের নোনাজল সবখানে মানুষ আর মানুষ। শিশু থেকে বৃদ্ধ, সব বয়সের মানুষের ভিড় সাগরতীরে।

এক পর্যটক বলেন, এটা ঘুরে বেড়ানোর উপযুক্ত সময়। তাই পরিবার নিয়ে কক্সবাজার ছুটে এলাম। বেশ আনন্দ করছি।

Advertisement

আরেক পর্যটক বলেন, সাগরের টানেই কক্সবাজার ছুটে আসা। বিশেষ করে, যখনই ছুটি পাওয়া যায় তখনই কক্সবাজার ছুটে আসতে মন চায়। তাই সাপ্তাহিক ছুটির দিনে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঘুরে বেড়াতে কক্সবাজার আসা।

সৈকতের জেড স্কি চালক মোর্শেদ বলেন, লাখো মানুষ সৈকতে ভিড় করেছে। পর্যটকরা কক্সবাজার আসলেই আমরা বেশি খুশি হই। কারণ, পর্যটকরা জেড স্কিতে উঠে নীল সাগর দেখবে এবং আমাদের ভালো আয় হবে। সেই হিসেবে খুব ভালো ব্যবসা হচ্ছে।

ফটোগ্রাফার আব্দুর গফুর বলেন, সপ্তাহের অন্যান্য দিন আয় হয় এক হাজার ৫০০ টাকা থেকে ২ হাজার টাকা। কিন্তু শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি দিনে সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে পর্যটকদের ছবি তুলে ২ হাজার টাকা আয় হয়েছে।

পর্যটকদের বেশির ভাগই সমুদ্রস্নানে ব্যস্ত। তাদের মধ্যে অনেকে নোনাজলে টিউবে গা ভাসাচ্ছেন। তাই তাদের নিরাপত্তায় নজরদারি বাড়িয়েছেন লাইফ গার্ডকর্মীরা।

সি সেইফ লাইফ গার্ড সংস্থার সিনিয়র লাইফগার্ড কর্মী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সৈকতের শৈবাল থেকে শুরু করে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত ২ লাখের বেশি পর্যটক হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশ মানুষই সমুদ্রে গোসল করছে। তাই এসব মানুষের নিরাপত্তায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। টাওয়ার থেকে পর্যবেক্ষণ, বালিয়াড়ি টহল ও সমুদ্রের পানিতে বোট নিয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আশা করি, কোনো ধরনের দুর্ঘটনা হবে না।

আর পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলোতে কাজ করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও জেলা প্রশাসন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!