মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে মঙ্গলবার (১৭ জানুয়ারি) ভোর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারদিক। কুড়িগ্রাম জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুর ১২টার পরও দেখা মেলেনি সূর্যের।
উত্তরের হিমেল হাওয়া ও কনকনে ঠান্ডায় দুর্ভোগে পড়েছেন শ্রমজীবী, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষজন। শীত নিবারণের জন্য অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
.png)
শৈত্যপ্রবাহের কারণে জেলার চিলমারী নৌ-বন্দর ও সদরের মোগলগাছা নৌ-ঘাট থেকে ৪-৫ ঘণ্টা বিলম্বে নৌ-যানগুলো চলাচল করছে। পাশাপাশি সড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে হেড লাইট জ্বালিয়েই চলছে যানবাহনগুলো। কুড়িগ্রামের আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেনগুলো কুয়াশার কারণে ২-৩ ঘণ্টা বিলম্বে ছাড়ছে।
পৌরসভার এক বাসিন্দা বলেন, বেলা সাড়ে ১১টা বাজতে চললো। অথচ রোদের দেখা এখনো মিলছে না। এ অবস্থায় কাজ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তুহিন মিয়া জানান, মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মৃদু শৈত্যপ্রবাহ আগামী দুই থেকে তিনদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার বলেন, জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শীতের কষ্ট লাঘবে জরুরি ভিত্তিতে শীতবস্ত্র কেনার জন্য ১৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের বরাদ্দ দেওয়া এ অর্থ জেলার ৯টি উপজেলায় দেওয়া হয়েছে।