ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মাদরাসাছাত্র বিলাল হত্যা: জবানবন্দিতে যে ‘কথাটি’ বললেন আসামি

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:০৫, ২৯ জানুয়ারি ২০২৩
মাদরাসাছাত্র বিলাল হত্যা: জবানবন্দিতে যে ‘কথাটি’ বললেন আসামি
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে মাদরাসাছাত্র বিলাল মিয়া হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মামলায় গ্রেফতারকৃত হৃদয় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন দাবি করে লোমহর্ষক তথ্য সামনে এনেছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী-৪) আদালতে জবানবন্দি দেন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে আটক প্রধান আসামি লায়েক আহমদ হৃদয়। নিহত ১০ বছরের শিশু বিলাল মিয়া নোয়াগাঁও গ্রামের ঈমান উদ্দিন ওরফে গয়বুল্লাহর ছেলে। সে কদুপুর মিছবা-উল-উলুম মাদরাসায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল। 

হৃদয়ের জবানবন্দির বরাত দিয়ে ওইদিন রাতে বানিয়াচং থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব জানান, গত ২৫ জানুয়ারি রাতে কদুপুর মিছবা-উল-উলুম মাদরাসার মাহফিল উপলক্ষে মেলা বসে। সন্ধ্যায় মেলায় যায় বিলাল। এ সময় সে প্রতিবেশী নোয়াগাঁও গ্রামের লায়েক আহমদ হৃদয়ের অটোরিকশায় উঠার বায়না ধরে। শিশু বিলালকে অটোরিকশায় উঠানোর পর হৃদয়ের মাথায় খারাপ বুদ্ধি আসে। 

Advertisement

পরে তিনি কৌশলে কদুপুর গ্রামের তিন কিশোরকে তার সঙ্গে নিয়ে ওই শিশুকে বলাৎকার করেন। ঘটনাটি বাড়িতে গিয়ে জানিয়ে দেবে বলায় ক্ষিপ্ত হয়ে হৃদয়সহ চারজন মিলে বিলালকে হত্যা করে পালিয়ে যান। গত বৃহস্পতিবার (২৬ জানুয়ারি) কদুপুর গ্রামের ধানের জমি থেকে শিশু বিলালের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা হলে হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে হৃদয়সহ চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর গত শনিবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন হৃদয়। জবানবন্দি শেষে গ্রেফতারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!