বুধবার দুপুর ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন কুমিল্লার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবু ইউসুফ নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার ঠনারপাড়র মো. ইসমাইলের ছেলে।
জানা যায়, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল বিকেল ৪টার দিকে খোরশেদ আলমের শিশু সন্তান আনাস ইসলাম নাহিদকে আইসক্রিম খাওয়ার জন্য সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন নতুন পদুয়ার বাজার এলাকার ভাড়া বাসা হতে পাশের দোকানে যায়। সে বাসায় ফিরে না আসায় পরদিন সদর দক্ষিণ মডেল থানায় সাধারণ ডায়রি করা হয়। ঐদিন সকাল ৯টায় অজ্ঞাত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর বাবার মোবাইলে ফোন করে জানান যে, আনাস ইসলাম নাহিদ তার হেফাজতে রয়েছে। তাকে ফেরত পেতে হলে ৪০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। অন্যথায় হত্যা করা হবে আনাসকে। ভুক্তভোগীর বাবা তিন ধাপে ৩৫ হাজার টাকা নগদে পাঠালে আলেখারচর বিশ্বরোড এলাকায় আনাসকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
.png)
সেই সূত্র ধরে আসামি আবু ইউসুফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৭ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও বিশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন আদালত।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট প্রদীপ কুমার দত্ত জানান, এ রায়ে তিনি খুশি।