শনিবার বিকেলে এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত সন্দেহে রইচ মিয়া আদালতে তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। গ্রেফতারকৃত রইচ মধুখালীর পশ্চিম আড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি কামারখালী সেতুর টোল প্লাজায় কাজ করেন। এর আগে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মধুখালী উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের কামারখালী সেতুর টোল প্লাজা এলাকায় এ ছিনতাইয়ের ঘটে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে মধুখালী থানায় মামলা করেন রাসেল। ভুক্তভোগী রাসেল কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার চান্দিনা হাসিমপুর এলাকার শহীদ মিয়ার ছেলে।
.png)
রাসেল জানান, ঢাকার তাঁতিবাজারে নিলখী বুলিয়ন স্টোর এবং ঢাকার উত্তরায় নিউ মা-মনি জুয়েলার্স নামে দুইটি সোনার দোকান রয়েছে তারা। গয়না বানানোর জন্য তিনি চুয়াডাঙ্গার বড় বাজার এলাকায় নিয়মিত যাতায়াত করেন।
ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মধুখালী সার্কেল) সুমন কর জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করে মধুখালী থানায় মামলা করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে রাসেল ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গা জেলার বড় বাজারে যাওয়ার জন্য বরিশালগামী সাকুরা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। তার সঙ্গে সোনার বারগুলো ছিল। তিনি সকাল সোয়া ১০টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। এরপর খান পরিবহনের একটি বাসে করে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে রওনা দেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাসটি মধুখালী উপজেলার পশ্চিম আড়পাড়া এলাকার কামারখালী গড়াই সেতুর টোল প্লাজায় পৌঁছায়। টোল পরিশোধের জন্য বাসটি থামে। এ সময় আট-নয়জন একটি মোটরসাইকেল সামনে থামিয়ে বাসটি আটকান। তারা বাসে উঠে ঐ ব্যবসায়ীকে শার্টের কলার ধরে টানতে টানতে নিচে নামান।
ভুক্তভোগী প্রতিবাদ করলে তাকে কিলঘুষি মারে ভয়ভীতি দেখান আসামিরা। এরপর ভুক্তভোগীকে সড়কের পাশে থাকা একটি করাতকল মালিকের বাড়িতে নিয়ে যান আসামিরা। সেখানে তার কাছ থেকে ২০টি সোনার বার ছিনিয়ে নেয়া হয়।