বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক সলিমকে মৃত ঘোষণা করেন। চমেক পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী এএসআই মো. আলাউদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে, বুধবার রাতে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-২ ব্লকে মোহাম্মদ সলিম স্বেচ্ছায় পাহারায় নিয়োজিত কর্মীদের কাজের তদারকি করছিলেন। এ সময় দুষ্কৃতকারীদের ছোঁড়া গুলিতে আহত হন তিনি।
.png)
মোহাম্মদ সলিম উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা রফিক উদ্দিনের ছেলে। সলিম ক্যাম্পটির সি-ব্লকের ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সাব-মাঝি (সহকারী কমিউনিটি নেতা) হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, বুধবার রাতে মুখোশ পরিহিত ১০ থেকে ১৫ জনের দুষ্কৃতকারী একদল তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মোহাম্মদ সলিমকে লক্ষ্য করে তারা উপর্যুপরি গুলি ছোঁড়ে। স্থানীয়রা গুলিবিদ্ধ মোহাম্মদ সলিমকে প্রথমে কুতুপালং সংলগ্ন এমএসএফ হাসপাতালে এবং পরে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে চিকিৎসক তাকে চমেক হাসপাতালে পাঠান। বৃহস্পতিবার সকালে মোহাম্মদ সলিমকে চমেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, চমেক হাসপাতাল সূত্রে গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা নেতা মোহাম্মদ সলিমের মৃত্যুর খবর জেনেছি। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ উখিয়ায় পৌঁছানোর পর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।