উদ্ধার অভিযানে অংশ নেয়া গাউসিয়া কমিটির এক স্বেচ্ছাসেবক জানান, বিস্ফোরণে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রায় দেড়-দুই কিলোমিটার এলাকায় ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি লাগে। আমরা সংগঠনের সিনিয়রদের থেকে তথ্য পেয়ে দ্রুততম সময়ে ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হই। এসে আমরা আগুন দেখতে পাই। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের সঙ্গে কারখানায় প্রবেশ করে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার ও তিনটি মরদেহ বের করি।
সংগঠনটির আরেক স্বেচ্ছাসেবক বলেন, বিস্ফোরণে স্থানীয় অনেক দোকান-পাট ও ঘরবাড়িতে লোহার টুকরো গিয়ে পড়ে। এতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অনেকে আহতও হয়েছেন।
.png)
বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা বিএম ডিপোর দুর্ঘটনার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে বলেও জানান তিনি।
এদিকে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং স্থানীয়দের সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দগ্ধ ৩০ জনকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার ওসি তোফায়েল আহমেদ বলেন, অক্সিজেন প্ল্যান্টে বিস্ফোরণের খবর শুনে ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করেছেন। বিস্ফোরণ সম্পর্কে এখনই তেমন কিছু বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।