মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান। এর আগে, একইদিন ভোরে পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া ইউনিয়নের পাংশা-চাঁদপুর সড়কে অভিযান চালিয়ে সোনাসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- পাংশা উপজেলার হাজরাপাড়া গ্রামের মো. শুকুর শেখের ছেলে মো. সাত্তার শেখ, পাংশা উপজেলার বনগ্রাম এলাকার আব্দুল খালেকের ছেলে মো. নাহিদুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া জেলার খোকসা এলাকার আয়েন উদ্দিনের ছেলে মো. জহুরুল ইসলাম।
পুলিশ সুপার এম এম শাকিলুজ্জামান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে পাংশা মডেল থানা পুলিশ আসামি গ্রেফতার শেষে ফিরছিল। এ সময় পাংশা-চাঁদপুর সড়কে একটি মোটরসাইকেলকে গতিরোধ করলে গাড়ি থেকে নেমে সাত্তার দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ সাত্তারকে আটকের পর তিনি স্বীকার করেন, তার কাছে থাকা সোনার তিনটি বার ফেলে দিয়েছেন। আর তার সঙ্গে থাকা নাহিদুল ইসলামের জুতার মধ্যে আরো সাতটি স্বর্ণের বার রয়েছে। তাদের ফোন চেক করে যোগাযোগের সূত্র ধরে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা এলাকার আয়েন উদ্দিনের ছেলে মো. জহুরুল ইসলামকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোট ১০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি বার ছয় খণ্ডে বিভক্ত ছিল। উদ্ধারকৃত মোট সোনার ওজন সাত কেজি ৩০০ গ্রাম।
.png)
এম এম শাকিলুজ্জামান আরো জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশ ধারণা করছে- এই সোনার চালানটি ঢাকা থেকে এই রুট ব্যবহার করে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচার হচ্ছিলো। এ বিষয়ে অধিকতর তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।