জব্দ করা সোনার মূল্য ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ নিয়ে খুলনা সেক্টরের দুই ব্যাটালিয়ন এক বছরে ৪৫টি অভিযানে ১৬৩ কেজি সোনা জব্দ করেছে। এই সোনার বাজার মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।
মঙ্গলবার রাতে ৪৯ বিজিবি ক্যাম্পে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লে. কর্নেল শাহেদ মিনহাজ ছিদ্দিকী এসব তথ্য জানান।
.png)
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা সেক্টরের ২১ বিজিবি ও ৪৯ বিজিবি জানতে পারে সোনার একটি বড় চালান ভারতে পাচার হতে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে প্রাইভেটকারে দু’জনে এই চালান নিয়ে খুলনা হয়ে যশোর দিয়ে বেনাপোল অভিমুখে যাচ্ছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সকালে ২১ বিজিবি খুলনা থেকে তাদের অনুসরণ করলে তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে দ্রুত গতিতে যশোর পার হওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ৪৯ বিজিবিও তাদের আটকে অভিযান চালিয়ে থামার নির্দেশ দিলে কারটি রাজারহাট এলাকা দিয়ে পালিয়ে যায়। কিছুদূর যেতেই সেটি দুর্ঘটনায় পতিত হলে চালক ও অপর যাত্রী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পরে প্রাইভেটকারে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৬০টি সোনার বার উদ্ধার ও জব্দ করে বিজিবি। জব্দ সোনার ওজন ৮ কেজি ৯৭৪ গ্রাম। বাজার মূল্য ৮ কোটি ৯৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। প্রাইভেটকারটির মূল্য ২০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ৪৯ বিজিবির অধিনায়ক।
এ সময় তিনি জানান, গত এক বছর ২ মাসে ৪৯ বিজিবি ২০টি অভিযানে ৯৩ কেজি ৩৪৭ গ্রাম সোনা উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এর বাজার মূল্য ৮০ কোটি ৬৭ লাখ ৯৪ হাজার টাকা। এদিকে ২১ বিজিবি প্রায় একই সময়ে ২৫টি অভিযানে ৭০ কেজি সোনা জব্দ করে বলে জানানো হয়।
সেই সোনার মূল্য ৬০ কোটি টাকার বেশি বলেও জানানো হয়। মঙ্গলবার উদ্ধার হওয়া সোনা বাদে আটক ও জব্দ করা সব সোনা রাষ্ট্রের অনুকূলে জমা দেওয়া হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। এ সময় ২১ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মাদ তানভীর রহমানসহ দুটি ব্যাটালিয়নের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।