জানা যায়, স্কুলটির ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে তাহসিন-তাসনিম ও সান-মুন, সপ্তম শ্রেণিতে কার্তিক-গণেশ, হাবিব-হাফিজ ও সুমাইয়া-সাদিয়া, অষ্টম শ্রেণিতে শুভ-সৌরভ, নবম শ্রেণিতে হাসি-খুশি ও তাহবি-তাসবি এবং দশম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে আবিদ-অমিত ও রাহুল রাহা-চঞ্চল রাহা। তাদের চেহারায় মিল থাকায় পরিচয় নিশ্চিত করতে খানিকটা বিড়ম্বনা হলেও বিষয়টি বেশ উপভোগ করেন সবাই।
যমজ দুই ভাই সান-মুন বলে, আমরা দুই ভাই একসঙ্গে সব কাজ করি। একই পোশাক পরে বিভিন্ন জায়গায় যাই। শুধু পোশাক না আমাদের জুতা, চশমা, প্যান্ট সব এক রকম। আমাদের খুব ভালো লাগে।
.png)
যমজ দুই বোন হাসি-খুশি বলে, আমাদের একটা বড় সুবিধা হলো কেউ কোনো ভুল করলে একজন আরেকজনকে চাপিয়ে দিতে পারি। পরে আবার আমরা একসঙ্গে মিলে যাই। আমরা যমজ হয়ে অনেক খুশি।
শিক্ষিকা আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, বিষয়টি আমি বেশ উপভোগ করি। তাদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ অনেক বেশি। তারা যাতে ভালো কিছু করে আমরা সব সময় তাদের উৎসাহ দেই।
শিক্ষক মামুনুর রশিদ বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি শ্রেণিতে যমজ শিক্ষার্থী আছে। তাদেরকে বুঝার কোনো উপায় নেই যে, কে কোনটা। তবে তারা বেশ মেধাবী। আমরা আশা করছি তারা তাদের কর্মজীবনে ভালো কিছু করবে।