ঘটনার পর ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। তবে ভোলা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথেই মারা যান গৃহবধূ আয়েশা বেগম। তিনি পাঙাশিয়া গ্রামের মো. শাহে আলমের স্ত্রী।
জানা যায়, গত ১০-১৫ বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছেন গৃহবধূ আয়েশা বেগম। ওই সমস্যার জন্য তাকে নিয়মিত ওষুধ খেতে হতো। তবে বৃহস্পতিবার রাতে সেই ওষুধ মনে করে জমিতে দেওয়ার জন্য রাখা কীটনাশক পান করেন গৃহবধূ আয়েশা। বিষয়টি তার স্বামী বুঝতে পেরে তাকে দ্রুত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। তবে গৃহবধূ আয়েশার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এরপর সেখানে নেয়ার পথেই মারা যান আয়েশা।
.png)
এ ব্যাপারে লালমোহন থানার ওসি মো. মাহাবুবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে লাশ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।